Posts

Showing posts from May, 2021

জায়নামাজে ছবি থাকলে কি নামায হবে ???

Image
আমরা প্রায় দেখি জায়নামাজ কাবার ছবি,  মসজিদের ছবি, দরজা, জানালার ছবি কিংবা বিভিন্ন নকশার দৃশ্য এগুলো থাকা যুক্তিক মনে করেন আপনি!   জায়নামাযে এসব দৃশ্য নামাজি ব্যক্তির মনোযোগ শক্তি কেড়ে নেয় বা অন্যমনস্ক হয়ে যায়। এতে নামাজে ব্যাঘাত ঘটে। ওলামায় কেরাম বলেছেন এটা মাকরুহ বা অপছন্দনীয়।  এছাড়াও কাবার ছবিযুক্ত জায়নামাজায় অনেক সময় আমরা পা দিয়ে পদদলিত করি কিংবা বিছিয়ে বসি ইত্যাদি জায়েয নয়।  কেননা, এগুলো  দ্বারা কাবার অবমাননার পর্যায় পড়ে।    এর সত্যতা কতটুকু,  হিশাম ইবনে উরউয়ার বর্ণনার আছে,  নবী করিম (সঃ) বলেছেন, "আমি নামাযের দিকে তাকাচ্ছিলাম আর ভয় পেতেছিলাম, এ চাদর / জায়নাজ আমাকে গোনাহগার বানাবে " [ সহীহ বুখারীর ৩৮৩)   হযরত আনাস ( রা) বর্ণনা করেন, হজরত আয়েশা (রা) এর একটি পর্দা ছিল। তিনি তা দ্বারা তার ঘরের এক পাশ ঢেকে রেখেছিলেন। নবী করীম (সঃ) বললেন, " তোমার এ পর্দা আমার থেকে দূর কর। কেননা এর নকশাগুল নামাজের ভেতর বারবার আমার সামনে পড়ে। " [ সহীহ বুখারীর ৫৯৫৯)   সুতরাং পবিত্র কাবাসহ মসজিদের ছবিযুক্ত জায়নামাজ ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই শ্রেয়।  https://youtu.be/YXgpF2VEB8c

পাঁচ ওয়াক্ত নামাযের ' ফরজ ' নামাযগুলো "রাকাত" গুলো সমান নয় কেন???

Image
"নামাজ " ফারসি শব্দ। যার শাব্দিক অর্থ, রহমত, দোয়া, প্রার্থনা ইত্যাদি। যার আরবি শব্দ "সালাত "।  ফরজ নামাজ পাঁচ ওয়াক্ত কিন্তু প্রতি ওয়াক্তে নামাজের রাকাতের সংখ্যা কম বা বেশি। ফজরের ফরজ নামাজ দুই রাকাত, যোহরের চার, আছরের চার, মাগরিবের তিন আবার এশার চার রাকআত নামাজ ফরজ৷ একেক ঘটনা ও কারণের ভিত্তিতে নামাজের রাকআতের সংখ্যায় ভিন্নতা দেখা যায়।  1). ফজরের নামাজ: আদম আ. যখন জান্নাতের নিষিদ্ধকৃত ফল খেয়ে ফেললেন তখন আল্লাহ'তা আলা তাকে পৃথিবীতে পাঠিয়ে দেন৷ আর তখন পৃথীবি ছিল অন্ধকার। আদম আ. জান্নাতে কখনো অন্ধকার দেখেন নি তাই তিনি দিশেহারা হয়ে গিয়েছিলেন আর আল্লাহর কাছে সাহায্য চাচ্ছিলেন৷ আল্লাহ আদম আ. এর দোয়া কবুল করেন। তখন আদম আ. দেখলেন আস্তে আস্তে আলো ফুটে উঠছে। মানে সুবহে সাদিক হচ্ছে৷ তখন তিনি আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করে দু'রাকাত নামাজ আদায় করেন যা পরবর্তীতে উম্মতে মুহাম্মদের উপর ফরজ করা হয়।   এছাড়াও ফজর নামাজ হচ্ছে মুমিন মুসলমানদের আলাদা করার নামাজ। আল্লাহকে বিশ্বাসী ব্যাতিত কেওই এত সকালে উঠে নামাজ আদায় করবে না, আল্লাহর শুকরিয়া জ্ঞাপন করবে না। এজন্য ফজরের নামাজকে খুবই ...

গর্ভবতী মায়ের উপর চন্দ্র গ্রহন কিংবা সূর্য গ্রহন প্রভাব কতটুকু সত্য

Image
আমাদের সমাজে মহিলাদের মধ্যে চন্দ্র ও সূর্য গ্রহনের সময় প্রায় একটা কথা শুনা যায় যে,  চন্দ্র গ্রহন ও সূর্য গ্রহনকালিন (নির্দিষ্ট কিছু সময়) গর্ভবতী মা কিছু কাটলে, ছিড়লে পেটের সন্তানের অমঙ্গল হয়। অনেকটা এরকম, সন্তানের ঠোঁট /কান কাটা হয়ে জন্মাবে, কিংবা কোনো কিছু ভাঙ্গলে বা বাকা করলে এই সন্তান বিকলাঙ্গ হয়ে জন্ম নেবে।  এ রকম কথার কোনো ভিত্তি নেই, এটা মূলত কুসংস্কার। কোরআন হাদিস এর সাথে এর সম্পর্ক নেই।  কেউ যদি চন্দ্র কিংবা সূর্য গ্রহন দেখে তার উচিত আল্লাহ কে স্মরন করা।   রাসূল (সাঃ) বলেছেম ;  " চন্দ্র এবং সূর্য এ দুটি আল্লাহর নিদর্শনের অন্যতম। কার ও জন্ম বা মৃত্যূর কারনে এদের গ্রহন হয় না। তাই তোমরা যখন প্রথম দেখতে পাও তখন আল্লাহ কে স্মরন কর। "  [ বুখারী ৪৮১৮ ইফা]   অন্য বর্ণনায় রাসূল ( সাঃ) বলেছেন ;   " চন্দ্র ও সূর্য গ্রহণ কারও জন্ম বা মৃত্যুর কারণে লাগে না বরং এ দুটো আল্লাহর নিদর্শন, যা দ্বারা আল্লাহ তার বান্দা কে সতর্ক করেন। অতএব তোমরা যখন গ্রহন দেখ, আল্লাহর জিকিরে মসগুল হও যতক্ষন তা আলোকিত না হয়ে যায়।  [ সহীহ মুসলিম ১৯৭২ ইফা ]

পৃথিবীর সব দেশের পতাকা আয়তকার হলেও নেপালের পতাকা ত্রিভুজকার কেন ???

Image
নেপালের পতাকা ত্রিভুজাকৃতি হওয়ার পেছনে নিম্নলিখিত কারণ ও ফ্যাক্টর গুলি কাজ করছে :   (১) বহু কাল ধরেই নেপাল একটি হিন্দু রাষ্ট্র হিসেবে খ্যাত। যেকোনো রকম হিন্দু মন্দিরেই দেখবেন, পতাকা সাধারণত ত্রিভুজাকৃতি হয়ে থাকে। তাই শুধু নেপাল ই নয়, বহু হিন্দু রাজ্য ও সংঘও এই ধরনের পতাকা ব্যবহার করেন।   (২) দীর্ঘ সময় ধরে নেপাল নিজেকে বিদেশি অনুপ্রবেশকারী দের থেকে নিজেকে একরকম বিচ্ছিন্ন করে রেখেছিল বলা চলে। অন্য কোনো দেশকে নেপালে ঘাঁটি স্থাপন বা সংস্কৃতি চর্চার সুযোগই দেইনি। ফলে পতাকার বিশেষ পরিবর্তন হয়নই।   (৩) বর্তমান কালে বেশ কিছু গবেষণা প্রমাণ করেছে, নেপালের পতাকা বিশ্বের সবচেয়ে unique, এবং পাশাপাশি গাণিতিকভাবে ভিন্ন। শুধু আকার নয়, তার সাথে অন্যান্য গাণিতিক সূত্র ও রয়েছে।  (৪) দেশের মধ্যে ও দেশের বাইরে নেপালের পতাকা সমান সমাদর পায়। নেপালি সংস্কৃতি তার পতাকাকে সম্মান, মর্যাদা ও শ্রদ্ধা করে।  // আরও কিছু কথা //   নেপালের পতাকা বিশ্বের একমাত্র ত্রিভুজাকৃতির পতাকা। নেপালের পতাকা দুটি ত্রিভুজাকৃতি খন্ড নিয়ে তৈরি। এই দুটি খন্ড হিমালয়ান পাহাড়শ্রেণি কে সূচিত করে। এই দুটি যথাক্রমে বৌদ্ধ ও হিন্দু ধর্...

ফিলিস্তিনীদের অস্ত্র থাকা সত্ত্বেও কেন তারা পাথর দিয়ে যুদ্ধ করে

Image
*এই লেখাটি যারা ফিলিস্তিন, ইজরায়েল, হামাস, পিএলও, গাযা, পশ্চিমতীর সম্পর্কে কম জানেন, তাদের জন্য সংক্ষিপ্ত ওভারভিউ।  এটি পড়লে মোটামুটি একটা ধারণা পাবেন।*  ইজরায়েলে যারা শাসন করে তারা মূলত ইউরোপীয় ইহুদী। এদেরকে বলা হয় আশকেনাজি জুইশ। এরা ইউরোপ থেকে এসে ফিলিস্তিনী ভূখণ্ডে গেঁড়ে বসা ইহুদী। কিছু আরব ইহুদী আছে, যারা আগে থেকেই ফিলিস্তিনে ছিল।  আর কিছু অন্যান্য আরব দেশ থেকে এসেছে। এদেরকে বলা হয় মিজরাহি জুউশ। হিস্পানিক কিছু জুইশ আছে। তবে এলিট শ্রেণী হচ্ছে- আশকেনাজি জুইশ। এরাই মূলত জার্মান আর ফ্রান্স থেকে বিতাড়িত হয়ে ফিলিস্তিনীদের জমি দখল করেছে। এরা অসম্ভব উগ্র, জেনোফোবিক এবং ধণী। ইজরায়েলের এলিট শ্রেণী হচ্ছে এরা। এদের কালচারের সাথে আরব ইহুদীদের কালচার কোনোভাবেই মিলেনা।   ইহুদী ধর্ম অনুযায়ী মেসিয়াহ (মুসলমানদের কাছে দাজ্জাল) না আসা পর্যন্ত ইহুদীদের জন্য আলাদা দেশ গঠন করা পুরোপুরিভাবে নিষিদ্ধ। এই কারণেই অন্যান্য দেশের অর্থোডক্স ইহুদী এবং ইহুদী ধর্মগুরুগণ ইজরায়েলের বিরোধী। কারণ এই রাষ্ট্র ইহুদী ধর্মমতেও নিষিদ্ধ। ধর্মীয় দেশ দাবী করলেও ইজরায়েল মূলত কোনো ইহুদী দেশ নয়, এটা একটা জায়...

মেয়েরা কথায়, কথায় কাঁদে কেন ??

Image
হ্যাঁ, মহিলারা বেশী কাঁদে। সাধারণভাবে আমরা বলে থাকি মেয়েদের মন নরম, মায়ায় ভরা, ভালবাসায় টইটুম্বুর হৃদয় এবং বড্ড অভিমানী। পুরুষেদের সেই তুলনায় অনেক শক্তপোক্ত মন। কাঁদে কম। সমাজই ওদের এইভাবে তৈরি করেছে। ছেলেদের কাঁদতে নেই আর মেয়েরা যত ভেউভেউ করে কাঁদবে তত ভালো, নরম এবং সরল মেয়ে ।  দেখা গেছে বছরে মেয়েরা ৩০ - ৬৪ বার কাঁদে এবং ছেলেরা ৬ - ১৭ বার। একটা সমীক্ষা বলছে মেয়েরা এক নাগাড়ে মোটামুটি ৬ মিনিট কাঁদে আর ছেলেরা কাঁদে ২ থেকে ৩মিনিট। এখন ভাবা যেতে পারে মেয়েরা এত কাঁদে কেন ? উফফফ..ওদের মাথায় জলের ড্রাম কে বসিয়ে রেখেছে ? সুযোগ পেলেই কান্না শুরু।   এত কান্নার কারণ হলো একধরণের হরমোন যার নাম প্রোল্যাকটিন। পিটিউট্যারি গ্ল্যান্ড থেকে এই হরমোনটা নিঃসৃত হয়। ইনিই চোখে জল আনার জন্য দায়ী। এই প্রোল্যাকটিন হোরমোন প্রতিটি মানুষের শরীরেই আছে।  বয়ঃসন্ধির আগে অব্দি ছেলে মেয়ে সবার মধ্যে এই প্রোল্যাকটিন লেভেল সমান থাকে। তাই ছোট বেলায় ছেলে মেয়ে সবাই কাঁদে। কিন্তু বড় হওয়ার সাথে সাথে ছেলেদের শরীরে টেস্টোস্টেরন নামে একটা হরমোন বাড়তে থাকে যা ছেলেদের কান্না কমিয়ে দেয়। আবার বৃদ্ধ হলে টেস্টোস...

মঙ্গল গ্রহে অক্সিজেন কিংবা পানি নেই। তবু কেন মানুষ সেখানে বসবাসের চিন্তা করছে

Image
এটি হল মঙ্গলগ্রহের উত্তরাঞ্চলের করোলেভ গহ্বর। সাদা যে পদার্থটি দেখা যাচ্ছে তা হল জলের বরফ। গহ্বরটির ব্যাস প্রায় ৮২ কিমি, বরফের আচ্ছাদিত অংশটির ব্যাস প্রায় ৬০ কিমি এবং গভীরতায় প্রায় ২ কিমি। এতে যে পরিমাণ জল বরফ হিসেবে রয়েছে তার পরিমাণ কানাডার গ্রেট বিয়ার হ্রদের সাথে তুলনীয়।   এতেই শেষ নয়। মঙ্গলগ্রহেও পৃথিবীর মত দুই মেরুতে প্রচুর পরিমাণ বরফ রয়েছে। উত্তরমেরুতে রয়েছে বেশ বড় জলের বরফের আচ্ছাদন। দক্ষিণ মেরুতেও কঠিন কার্বন-ডাই-অক্সাইডের আচ্ছাদনের নীচে সঞ্চিত রয়েছে জলের বরফ। এমনকি এই অঞ্চলে তরল জলের সন্ধানও মিলেছে।   মঙ্গলগ্রহের উত্তর মেরু   মঙ্গলগ্রহের দক্ষিণ মেরু   তবে মঙ্গলগ্রহে অক্সিজেন প্রায় নেই বললেই চলে। এমনিতেই সেখানকার বায়ুমণ্ডল অত্যন্ত পাতলা, তার ওপর তার প্রায় ৯৬% কার্বন-ডাই-অক্সাইড। অক্সিজেন আছে মাত্র ০.১৩%। তবে অক্সিজেনের ব্যবস্থা করারও উপায় রয়েছে। দুটি পদ্ধতি রয়েছে। ১) বায়ুমণ্ডল থেকে কার্বন-ডাই-অক্সাইড সংগ্রহ করে তাকে তড়িৎবিশ্লেষণ করলে উৎপন্ন হবে কার্বন-মনোক্সাইড এবং অক্সিজেন। নাসা এই বিক্রিয়াটি মঙ্গলগ্রহে করে দেখার জন্য ইতিমধ্যেই 'পার্সিভিয়ারেন্স' মহাকাশযানে করে একটি ...

সালাতের সময় কি মাস্ক থাকবে ????

Image
সালাতের সময় মুখমন্ডল ঢাকতে রসূলুল্লাহ (ﷺ) নিষেধ করেছেন তাই অন্তত সালাতের সময় মুখ থেকে মাস্ক সরিয়ে দিন।  এর দলিল, আবূ হুরাইরাহ (رضي الله عنه) থেকে বর্ণিত,, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যে কোন ব্যাক্তিকে সালাতরত অবস্থায় তার মুখমন্ডল ঢাকতে নিষেধ করেছেন।  [ইবনে মাজাহ, ৯৬৬][1]   ফুটনোটগুলি  ঃ   [1] সুনান ইবনু মাজাহ |  হাদিস নংঃ 966

মিসওয়াক কতোটা বিজ্ঞান সম্মত

Image
পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা ঈমানের অঙ্গ। অর্থাৎ কেউ যদি নিজেকে ঈমানদার হিসেবে দাবি করতে চায় তাহলে তাকে অবশ্যই পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন অবস্থায় থাকতে হবে। ইবাদতের জন্য পাক পবিত্র থাকা অত্যাবশ্যকীয়।  পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার অন্যতম একটি বিষয় হচ্ছে মিসওয়াক। মিসওয়াকের মাধ্যমে একজন মানুষ শারীরিক ও আত্মিক ভাবে উপকৃত হয়ে থাকেন। মিসওয়াক রাসূল (সা.) এর সুন্নাত সমূহের মধ্যে অন্যতম একটি সুন্না, যা তিনি নিয়মিত করতেন। মিসওয়াক কি? মিসওয়াক হচ্ছে একটি আরবি শব্দ, যার বাংলা অর্থ হচ্ছে ‘দাঁতন’।  আমরা সাধারণ মানুষ মিসওয়াক বলতে গাছের ডালের টুকরো ব্যবহার করে দাঁত ও মুখের ভেতরের অংশ পরিষ্কার করাকেই বুঝি। আরবদেশে সাধারণত দাঁত পরিষ্কার ‘স্যালভাদরা পারসিকা’ নামক গাছের ডাল দিয়ে দাঁতন করা হতো। যাকে আরবিতে ‘আরাক’ গাছও বলা হয়।  তবে আমাদের দেশে পিলু, নিম, বাবলা,কানির, জায়তুন, জাতীয় তেঁতো, লবনাক্ত গাছের নরম আশঁযুক্ত ডাল ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এ সব গাছ ছাড়াও বিভিন্ন গাছের ডালকে মিসওয়াক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। মিসওয়াকের গুরুত্ব মিসওয়াকের মাধ্যমে মুখের ভেতর পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা করা হয়। এই পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা আল্লাহ্র সন...

আল কোরআন কি আল্লাহ তা আলার সৃষ্টি নাকি অনাদি

Image
কোরআন মজীদ হচ্ছে মানুষের জন্য আল্লাহ্ তা‘আলার পক্ষ থেকে প্রেরিত পথনির্দেশ; এ ব্যাপারে সন্দেহের অবকাশ নেই। কিন্তু ইসলামের প্রথম যুগের বেশ পরে তৎকালীন আলেমদের মধ্যে প্রশ্ন ওঠে :  কোরআন কি অনাদি, নাকি সৃষ্ট?  তৎকালীন আলেমদের মধ্যে দৃষ্টিভঙ্গির গোঁড়ামি ও চরম পন্থার কারণে এ প্রশ্নটিকে তাঁরা ঈমানদার ও কাফের নির্ণয়ের মানদণ্ড হিসেবে গ্রহণ করেন। ফলে, তাওহীদ, আখেরাত, নবুওয়াতে মুহাম্মাদী (ছ্বাঃ), খাতমে নবুওয়াত্ এবং কোরআন মজীদের আল্লাহ্ তা‘আলার পূর্ণাঙ্গ, সর্বশেষ ও সংরক্ষিত কিতাব হবার ব্যাপারে অভিন্ন ঈমানের অধিকারী হওয়া সত্ত্বেও ঐ প্রশ্নটির ভিত্তিতে একদল আরেক দলকে কাফের হিসেবে অভিহিত করেন। তৎকালীন স্বৈরাচারী ‘আব্বাসী শাসকরা এ ব্যাপারে একেক সময় একেক দলকে সমর্থন দিয়ে স্বীয় রাজনৈতিক স্বার্থ হাছ্বীলের অপচেষ্টা চালায়।  এ প্রশ্নটি যখন ওঠে তখন এখতিয়ারবাদী মু‘তাযিলী আলেমগণ কোরআন মজীদকে সৃষ্ট বলে দাবী করেন এবং অদৃষ্টবাদী (জাবারী) আলেমগণ কোরআনকে অনাদি বলে দাবী করেন। এ বিষয়টিকে কেন্দ্র করে এক পক্ষ আরেক পক্ষকে কাফের ও মুরতাদ এবং হত্যাযোগ্য বলে ফতওয়া দেয়, আর এর ভিত্তিতে ‘আব্বাসী শাসকরা বহু আলেমকে হত্যা করে। প...

50 কেজি কম ওজনের ব্যক্তি বৈদ্যুতিক উপকেন্দ্রে প্রবেশ নিষেধ কেন

Image
বিদ্যুৎকেন্দ্র তে এমন কিছু তার আছে যেইগুলোতে লক্ষ লক্ষ ভোল্টেজ বিদ্যুত প্রবাহিত হয়। আর যখন ঐগুলোর মধ্যে দিয়ে বিদ্যুৎ যায় তখন ঐ তারের নিচ দিয়ে অত্যন্ত শক্তিশালী ম্যাগনেটিক ফিল্ড তৈরী হয়,যেটা ২০-২৫ ফিট দূর থেকেও মানুষকে আকর্ষন করে কাছে টেনে নেয়। খুব সম্ভবত এজন্যই কম ওজনসম্পন্ন লোকদের ভেতরে প্রবেশ নিষেধ। বিদ্যুৎ চলাচল করলে তারে চৌম্বকত্বের সৃষ্টি হয়।যেটাকে কাজে লাগিয়ে মোটরের/জেনারেটর আবিষ্কার। এবং সাধারণত এই সব অঞ্চলে হাই-ভোল্টেজ কারেন্টের প্রবাহ থাকে। যার কারণে তাড়িৎ চৌম্বকত্ব অনেক হয়। তাই কম ওজনের কোন প্রানী গেলে সেটাকে আকর্ষণ করে টেনে নিতে পারে। এই জন্য সাবধান করা।  Substation এর সর্বত্র Electromagnetic Field আছে। আর তাহা উচ্চ ভোল্টেজের ক্ষেত্রে এতোই তীব্র যে পাওয়ার ট্রান্সমিশনের জন্য যে ক্যাবলসমূহ ব্যবহার করা হয় তা magnet field এর ন্যায় আচরণ করে।  কোনো কম ভরের ব্যক্তি যদি সেখানে প্রবেশ করে, তবে তিনি চৌম্বক ক্ষেত্র কর্তৃক আকর্ষিত হতে পারে যার ফলে ব্যক্তির বৈদ্যুতিক শকে প্রাণনাশের আশংকা থাকে। ঐখানে এত পরিমানে বিদ্যুৎ আকর্ষণ আছে যে , তার আসেপাশে বিদ্যুৎ পরিবাহী ব্যাক্তি বা বস্তু যদি ৫০...

শুক্র গ্রহের বায়ুমন্ডল সনাক্ত করে ফ্রিকোয়েন্সি পাঠিয়ে যা জানা যায়

Image
২০২০ সালের জুলাই মাসে শুক্র গ্রহের ঘনিষ্ঠ ফ্লাইবায়ার সময়, নাসার পার্কার সোলার প্রোব অদ্ভুত কিছু আবিষ্কার করেছিল detected যখন এটি ভেনাসিয়ার তল থেকে মাত্র ৮৩৩ কিলোমিটার (৫১ মাইল) উপরে ডুবে গেছে, তদন্তের সরঞ্জামগুলি একটি কম-ফ্রিকোয়েন্সি রেডিও সংকেত রেকর্ড করেছে - একটি পার্থক্যের চিহ্ন যা পার্কার গ্রহের উপরের বায়ুমণ্ডলের একটি স্তর আয়নোস্ফিয়ার দিয়ে স্কিম করেছিলেন।   প্রায় তিন দশকের মধ্যে এই প্রথম কোনও সরঞ্জাম শুক্রের উপরের বায়ুমণ্ডলের পরিস্থিতি পরিমাপের ক্ষেত্রে সরাসরি রেকর্ড করতে সক্ষম হয়েছিল এবং রেকর্ড করা তথ্য আমাদের সূর্যের চক্রীয় পরিবর্তনের প্রতিক্রিয়াতে শুক্রের পরিবর্তনের পরিবর্তন সম্পর্কে একটি নতুন উপলব্ধি দেয়. নাসার গড্ডার্ড স্পেস ফ্লাইট সেন্টারের জ্যোতির্বিজ্ঞানী গ্লিন কলিনসন বলেছিলেন, "আমি ভেনাসের কাছ থেকে নতুন তথ্য পেয়ে খুব উত্তেজিত ছিলাম।"   শুক্র পৃথিবীতে আমাদের কাছে আকর্ষণীয় এক পৃথিবী। এটি আকার এবং সংমিশ্রণে আমাদের নিজস্ব গ্রহের সাথে একই রকম, তবে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ: একটি বিষাক্ত, ঝলসানো গরম নরক-পৃথিবী যা আমরা সম্ভবত জানি এটি জীবনের সম্পূর্...

বাইবেলের ঈশ্বর এবং কোরআনের ঈশ্বরের ( আল্লাহ) মধ্যে মিল ও অমিল কোনোগুলো

Image
অমিল একদম শুরু থেকেই!   বাইবেলের ওল্ড টেস্টামেন্টের সাথে কুরআনের তুলনা করলে দেখবেন কুরআনের ঈশ্বর(আল্লাহ্‌) অতিরিক্ত দয়ালু,ক্ষমাশীল কিন্তু একজন ন্যায় বিচারক যিনি দোষী ব্যক্তিকে তার প্রাপ্ত শাস্তি দেন।  অল্ড টেস্টামেন্টের ঈশ্বর একজন হিংসুট এবং এটা নিয়ে গর্বিত,ন্যায়বিরুদ্ধ,নির্মম ক্ষমতালোভী,রক্তপিপাসু জাতি শুদ্ধিকারক, নারীবিদ্বেষী—- Richard Dawkins(The God Delusion)  উল্লেখ্য,মুসলিম হিসাবে আমার বিশ্বাস তাওরাত,যাবূর এবং ইঞ্জিল বিকৃত হয়ে গিয়েছে [এর জন্য ইহুদিদের কিন্তু দুইবার Divine Punishment এর শিকার হতে হয়েছিল,কিন্তু এ সম্পর্কে অন্যকোন দিন আলোচনা করব ]।  এই বিকৃত তিনটির দুটি, তাওরাত এবং যাবূর মিলে বর্তমান ওল্ড টেস্টামেন্ট এবং বিকৃত ইঞ্জিল হল বর্তমান নিউ টেস্টামেন্ট। নিচের এই অংশ ভালোমত পড়ুন,আর আমাকে ভুল বুঝবেন না।  কুরআন এসেছে সেগুলো সংশোধন করতে এবং কিছু নতুন বিধান নিয়ে।মূলত কুরআন এবং বাইবেলের ঈশ্বর একজনই (আল্লাহ্‌- The One |true| GOD)।  বাইবেলে ঈশ্বরকে যেই রূপে দেখানো হয়েছে সেটার সাথে আমি একদম দ্বিমত পোষণ করছি। তাহলে চলেন শুরু করি!! THE ORIGINAL SIN (রঙ্গমঞ্চের উদ্বোধন)  বাইবেলঃ ঈ...

আমরা অন্ধকারে কোন কিছু দেখতে পাই না। প্রশ্ন হলো অন্ধকার কিভাবে দেখি ???

Image
আসলে অন্ধকার বলে কিছুই নেই। কি অবাক লাগছে! আসুন দেখি ফিজিক্স কি বলে এ বিষয়ে! কোন বস্তুকে আমরা তখনি দেখতে পাব যখন ওই বস্তুতে পতিত আলোর কনা ফেরত হয়ে আবার আমাদের চোখে এসে ধরা পড়বে। আমাদের চোখে যে আলোটা এসে ধরা পড়ে সেটা আসলে মহাবিশ্বে থাকা বিশাল ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক রেডিয়েশনের একটি ক্ষুদ্রতম অংশ।  এই ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক রেডিয়েশন এর কয়েক ধরনের আলো আছে। আমরা কিন্তু সবকিছু দেখতে পাই না। কারন আমাদের দৃষ্টি ওই রেডিয়েশনের একটু ক্ষুদ্রতম অংশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। যেমন ধরুন আমরা একটা পাখিকে যেভাবে রঙিন দেখি, একটা বিড়াল কিন্তু সেভাবে দেখে না। কারন রঙিন দেখার জন্যে সেই কোষগুলো বিড়ালের নেই।  আবার তাদের এমন কিছু কোষ আছে যেগুলো আমাদের নেই, তাই তো তারা রাতের বেলা দেখতে পারে কিন্তু আমরা পারি না। আমরা যখন কোনকিছু দেখার কথা বলি সেটা মূলত visual perception. ধরুন কোন সোর্স থেকে আলো উৎপন্ন হয়ে কোন পাখির উপরে পড়ল। সেটা আবার বাউন্স করে ক্যামেরার মাধ্যমে আমাদের চোখের মধ্যে দিয়ে প্রতিবিম্ব হয়, সেই প্রতিবিম্ব আবার আমাদের চোখের কোষগুলো মাথার ভিতরে থাকা নিউরন কোষের মধ্যে ট্রান্সফার করে। তার পরে মস্তিস্ক আমাদেরকে বল...

বিজ্ঞানীরা আমাদের নিকটতম প্রতিবেশী শুক্রের রহস্য ভেদ করেছেন

Image
ক্রেডিট: নাসা / জেপিএল-ক্যালটেক।  শুক্র একটি ছদ্মবেশী। এটি পাশের গ্রহ এবং এখনও নিজের সম্পর্কে সামান্য প্রকাশ করে। মেঘের একটি অস্বচ্ছ কম্বল এসিড বৃষ্টি দ্বারা চালিত একটি কঠোর প্রাকৃতিক দৃশ্যকে হাসায় এবং তাপমাত্রায় বেকড যা সীসাকে ত্বক করতে পারে। এখন, পৃথিবীর সুরক্ষা থেকে নতুন পর্যবেক্ষণগুলি শুক্রের বেশ কয়েকটি প্রাথমিক বৈশিষ্ট্যের উপর পর্দা তুলছে।   সর্বশেষ 15 বছর ধরে গ্রহের পৃষ্ঠের উপরে বার বার রাডার স্ফীত করে, একটি ইউসিএলএ-নেতৃত্বাধীন দল শুক্রের এক দিনের যথাযথ দৈর্ঘ্য, তার অক্ষের প্রান্ত এবং তার মূলের আকারটি নীচে ফেলেছে।  অনুসন্ধানগুলি আজ নেচার অ্যাস্ট্রোনমি জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে। "ভেনাস আমাদের বোন গ্রহ, এবং এখনও এই মৌলিক বৈশিষ্ট্যগুলি অজানা রয়ে গেছে," জ্যান-লুস মার্গট বলেছেন, এই গবেষণার নেতৃত্বদানকারী পৃথিবী, গ্রহ ও মহাকাশ বিজ্ঞানের UCLA অধ্যাপক।   পৃথিবী এবং শুক্রের মধ্যে অনেক মিল রয়েছে: উভয় পাথুরে গ্রহের প্রায় একই আকার, ভর এবং ঘনত্ব রয়েছে। এবং তবুও তারা বন্যভাবে বিভিন্ন পথ ধরে বিকশিত হয়েছিল। ভেনুসিয়ান দিনে কত ঘন্টা থাকে তার মতো মূলসূত্রগুলি এই প্র...