আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোনে এমন কি বিষয় আছে যা আপনি জানে না ??
★★★
এই প্রশ্নের উত্তরে অনেকে এন্ড্রয়েডের অনেক ফিচারের কথা বল্লেও আমি বলবো এন্ড্রয়েড ফোনের এক বড় অসুবিধার কথা যা নিয়ে অনেকেই মাথা ঘামান না।
এন্ড্রয়েড ফোন মোটেও সিকিউর না। এন্ড্রয়েডের প্লে-স্টোরের সকল অ্যাপস এবং গেমস এখন পর্যন্ত কম্পিউটার দিয়ে টেস্ট করানো হয় প্লে-স্টোরে আপলোডের আগে যার কারনে নানা ধরনের ম্যালওয়্যার এবং ক্রুটিপূর্ণ অ্যাপ, স্টোরে আপলোড হয়ে যায়।
একজন ইউজার যখন অ্যাপ ইন্সটল করে বেশিরভাগ সময়েই দেখা যায় অ্যাপগুলো ফোনের অনেক কিছুর এক্সেস পারমিশন নিয়ে থাকে। কিছু অ্যাপ নিজে রান করার জন্য সিস্টেমের কিছু পারমিশন দরকার ঠিকি কিন্তু এমন অনেক অ্যাপ আছে যেগুলো শুধুমাত্র ইউজারের ডেটা নেয়ার জন্য অনেক কিছুর এক্সেস নেয়। এখন ধরুন এমন কোনো অ্যাপ আপনি ইন্সটল করলেন যার কাজ হলো ফটো এডিট করা। সেক্ষেত্রে অ্যাপ আপনার ক্যামেরা, গ্যালারি ইত্যাদি পারমিশন নিয়ে নেবে এটা স্বাভাবিক। এখন এই অ্যাপটা যদি যখন তখন আপনার সেলফি তুলে ডেভলপারের সার্ভারে আপলোড করে দেয় তাহলে ব্যাপারটা কেমন হবে ? আপনি জানতেও পারবেন না আপনার সাথে এইসব হচ্ছে।
কিন্তু এন্ড্রয়েড যদি ম্যানুয়াল অ্যাপ টেস্টিং এর ব্যবস্থা রাখতো আই ও এস এর মতো তাহলে এসব অ্যাপ স্টোরে আপলোড করতে পারতোনা কেউ।
এ্যাপল কোম্পানি শুধু শুধুই সিকিউরিটি সিকিউরিটি বলে গলা ফাটায় না। এ্যাপল অ্যাপস্টোরে কোনো অ্যাপ আপলোড করতে হলে অনেকগুলো প্রসেসের মধ্যে দিয়ে যাওয়া লাগে আর সবচেয়ে কঠিন প্রসেসটা হলো এক বা একাধিক ডেভলপারের কাছে আপনার অ্যাপ যাবে তারা বেশ কিছু সময় ধরে অ্যাপটি চেক করবে এবং ডিভাইসে ইন্সটল করে ব্যবহার করবে। অ্যাপলের বেশ কিছু গাইডলাইন আছে সেগুলোতে এবং ম্যানুয়াল টেস্টে যদি অ্যাপ পাশ করলে তখন অ্যাপস্টোরে অ্যাপ আপলোড হবে। এই সিস্টেম টা এন্ড্রয়েডে নাই এখন পর্যন্ত।
আবার এন্ড্রয়েড ফোনে চাইলেই প্লে-স্টোরের বাইরে থেকেও অ্যাপ ইন্সটল করা যায়। আপনি যেকোনো ভ্যালিড এপিকে ফাইল ইন্সটল করে ফেলতে পারবেন। কিন্তু আই ও এস-এ এভাবে সম্ভব না। কিছু স্টোর আছে যদিও থার্ডপার্টি তবে সেগুলোও ব্যবহার করা অনেক কষ্টসাধ্য।
এন্ড্রয়েড ওএস নানা ধরনের সিস্টেম অটোমেশন এর পারমিশন দেয়। এটা খারাপ কেনো একটু বলি। বেশ কিছুদিন আগে আমি আই ও এস এর জন্য একটা অ্যাপ ডেভলপ করার সময় সেখানে একটা ফিচার যুক্ত করার প্রয়োজন হয় সেটা ছিল ফোনের ব্যাটারির চার্জ ২-৩ % হয়ে আসলে অটোমেটিক কিছু প্রি-ডিফাইন্ড নম্বরে এস এম এস চলে যাবে। এন্ড্রয়েডে এই কাজটা সহজেই করা যায়। কিন্তু আইফোনের আই এ এস কিছুতেই এ ধরনের অটোমেশন করতে দেয়না। মানে ইউজারকে সেন্ড বাটন প্রেস করতেই হবে প্রতিটা এস এম এস সেন্ড করার জন্য। কিন্তু এন্ড্রয়েডে চাইলে ব্যাকগ্রাউন্ডেই এই কাজ করে ফেলা যায়। ইউজার বুঝতেই পারবেনা তার ফোন থেকে এস এম এস গিয়েছে। এটা খারাপ এই কারনে যে কেউ চাইলে আপনার ফোনে কয়েক হাজার এস এম এস পাঠিয়ে দিতে পারবে কোনো প্যারা ছাড়াই। তো এটা একটা উদাহরণ মাত্র, এমন প্রায় সকল ক্ষেত্রেই এন্ড্রয়েড ওএসের সিকিউরিটি ব্যবস্থা ভালো না। এন্ড্রয়েড ফোন হ্যাক করাও তুলনামূলক অনেক সহজ।
ভয় পাওয়ার কিছু নাই। চোখ কান খোলা রাখলেই আর বিপদে পড়বেন না। প্লে-স্টোর থেকে শুধুমাত্র নামকরা পরিচিত অ্যাপ ইন্সটল করবেন। স্টোরের বাইরের কোনো অ্যাপ ইন্সটল করবেন না। ক্র্যাক / প্যাচ করা অ্যাপ ইন্সটল করা থেকে বিরত থাকুন। ফোন রুট করলে যা করছেন নিজেই বুঝে শুনে করুন। কোনো অ্যাপ ইন্সটল করার সময় কি কি পারমিশন চাচ্ছে পড়ে নিন। একটা সাধারণ ক্যালকুলেটর অ্যাপ আপনার গ্যালারির, কন্টাক্ট লিস্ট বা ইন্টারনেট এক্সেস চাওয়াটা বেমানান। এসব অ্যাপ এভোয়েড করুন।
Shah Alam Hossen-এর জন্য প্রোফাইল ফটো
এই প্রশ্নের উত্তরে অনেকে এন্ড্রয়েডের অনেক ফিচারের কথা বল্লেও আমি বলবো এন্ড্রয়েড ফোনের এক বড় অসুবিধার কথা যা নিয়ে অনেকেই মাথা ঘামান না।
এন্ড্রয়েড ফোন মোটেও সিকিউর না। এন্ড্রয়েডের প্লে-স্টোরের সকল অ্যাপস এবং গেমস এখন পর্যন্ত কম্পিউটার দিয়ে টেস্ট করানো হয় প্লে-স্টোরে আপলোডের আগে যার কারনে নানা ধরনের ম্যালওয়্যার এবং ক্রুটিপূর্ণ অ্যাপ, স্টোরে আপলোড হয়ে যায়।
একজন ইউজার যখন অ্যাপ ইন্সটল করে বেশিরভাগ সময়েই দেখা যায় অ্যাপগুলো ফোনের অনেক কিছুর এক্সেস পারমিশন নিয়ে থাকে। কিছু অ্যাপ নিজে রান করার জন্য সিস্টেমের কিছু পারমিশন দরকার ঠিকি কিন্তু এমন অনেক অ্যাপ আছে যেগুলো শুধুমাত্র ইউজারের ডেটা নেয়ার জন্য অনেক কিছুর এক্সেস নেয়। এখন ধরুন এমন কোনো অ্যাপ আপনি ইন্সটল করলেন যার কাজ হলো ফটো এডিট করা। সেক্ষেত্রে অ্যাপ আপনার ক্যামেরা, গ্যালারি ইত্যাদি পারমিশন নিয়ে নেবে এটা স্বাভাবিক। এখন এই অ্যাপটা যদি যখন তখন আপনার সেলফি তুলে ডেভলপারের সার্ভারে আপলোড করে দেয় তাহলে ব্যাপারটা কেমন হবে ? আপনি জানতেও পারবেন না আপনার সাথে এইসব হচ্ছে।
কিন্তু এন্ড্রয়েড যদি ম্যানুয়াল অ্যাপ টেস্টিং এর ব্যবস্থা রাখতো আই ও এস এর মতো তাহলে এসব অ্যাপ স্টোরে আপলোড করতে পারতোনা কেউ।
এ্যাপল কোম্পানি শুধু শুধুই সিকিউরিটি সিকিউরিটি বলে গলা ফাটায় না। এ্যাপল অ্যাপস্টোরে কোনো অ্যাপ আপলোড করতে হলে অনেকগুলো প্রসেসের মধ্যে দিয়ে যাওয়া লাগে আর সবচেয়ে কঠিন প্রসেসটা হলো এক বা একাধিক ডেভলপারের কাছে আপনার অ্যাপ যাবে তারা বেশ কিছু সময় ধরে অ্যাপটি চেক করবে এবং ডিভাইসে ইন্সটল করে ব্যবহার করবে। অ্যাপলের বেশ কিছু গাইডলাইন আছে সেগুলোতে এবং ম্যানুয়াল টেস্টে যদি অ্যাপ পাশ করলে তখন অ্যাপস্টোরে অ্যাপ আপলোড হবে। এই সিস্টেম টা এন্ড্রয়েডে নাই এখন পর্যন্ত।
আবার এন্ড্রয়েড ফোনে চাইলেই প্লে-স্টোরের বাইরে থেকেও অ্যাপ ইন্সটল করা যায়। আপনি যেকোনো ভ্যালিড এপিকে ফাইল ইন্সটল করে ফেলতে পারবেন। কিন্তু আই ও এস-এ এভাবে সম্ভব না। কিছু স্টোর আছে যদিও থার্ডপার্টি তবে সেগুলোও ব্যবহার করা অনেক কষ্টসাধ্য।
এন্ড্রয়েড ওএস নানা ধরনের সিস্টেম অটোমেশন এর পারমিশন দেয়। এটা খারাপ কেনো একটু বলি। বেশ কিছুদিন আগে আমি আই ও এস এর জন্য একটা অ্যাপ ডেভলপ করার সময় সেখানে একটা ফিচার যুক্ত করার প্রয়োজন হয় সেটা ছিল ফোনের ব্যাটারির চার্জ ২-৩ % হয়ে আসলে অটোমেটিক কিছু প্রি-ডিফাইন্ড নম্বরে এস এম এস চলে যাবে। এন্ড্রয়েডে এই কাজটা সহজেই করা যায়। কিন্তু আইফোনের আই এ এস কিছুতেই এ ধরনের অটোমেশন করতে দেয়না। মানে ইউজারকে সেন্ড বাটন প্রেস করতেই হবে প্রতিটা এস এম এস সেন্ড করার জন্য। কিন্তু এন্ড্রয়েডে চাইলে ব্যাকগ্রাউন্ডেই এই কাজ করে ফেলা যায়। ইউজার বুঝতেই পারবেনা তার ফোন থেকে এস এম এস গিয়েছে। এটা খারাপ এই কারনে যে কেউ চাইলে আপনার ফোনে কয়েক হাজার এস এম এস পাঠিয়ে দিতে পারবে কোনো প্যারা ছাড়াই। তো এটা একটা উদাহরণ মাত্র, এমন প্রায় সকল ক্ষেত্রেই এন্ড্রয়েড ওএসের সিকিউরিটি ব্যবস্থা ভালো না। এন্ড্রয়েড ফোন হ্যাক করাও তুলনামূলক অনেক সহজ।
ভয় পাওয়ার কিছু নাই। চোখ কান খোলা রাখলেই আর বিপদে পড়বেন না। প্লে-স্টোর থেকে শুধুমাত্র নামকরা পরিচিত অ্যাপ ইন্সটল করবেন। স্টোরের বাইরের কোনো অ্যাপ ইন্সটল করবেন না। ক্র্যাক / প্যাচ করা অ্যাপ ইন্সটল করা থেকে বিরত থাকুন। ফোন রুট করলে যা করছেন নিজেই বুঝে শুনে করুন। কোনো অ্যাপ ইন্সটল করার সময় কি কি পারমিশন চাচ্ছে পড়ে নিন। একটা সাধারণ ক্যালকুলেটর অ্যাপ আপনার গ্যালারির, কন্টাক্ট লিস্ট বা ইন্টারনেট এক্সেস চাওয়াটা বেমানান। এসব অ্যাপ এভোয়েড করুন।
Shah Alam Hossen-এর জন্য প্রোফাইল ফটো
Comments
Post a Comment